রুবেল মাদবর, মুন্সীগঞ্জ: মুন্সীগঞ্জের উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মুক্তি যোদ্ধাদের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এসময় হামলা কারীরা একটি মাইক্রোবাস ও একটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
গাড়ি ভাংচুর ও আহতরা সবাই উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী কাপ পিরিচ প্রতীকের আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রশিদ শিকদারের সর্মথক। শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে জেলার লৌহজং উপজেলার মালির অংকন বাজার এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় বাবুল মুন্সি ও বাবুল নামের দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা আহত হয়।
এছাড়াও তাদের গাড়ি চালক মোঃ শরি (৩৫) ও তাদের সাথে থাকা মোটরসাইকেল চালক মিঠুন বিশ্বাস (৩২) সহ ১১ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় গাড়ি চালক মোঃ শরিফ ও মোটরসাইকেল চালক মিঠুন বিশ্বাসকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়াও দুই মুক্তিযোদ্ধাসহ অপর আহতদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে৷
এঘটনায় শনিবার সকালে লৌহজং থানার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবুল মুন্সি ।
প্রত্যাক্ষদর্শী ও আহতরা জানান,শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে লৌহজং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেয়া কাপ পিরিচ প্রতীকের আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রশিদ শিকদারের প্রচার-প্রচারণা শেষে বাড়ি ফেরার পথে মালির অংকন বাজার এলাকায় পৌছলে প্রতিপক্ষ দোয়াত কলমের বিএম শোয়েব সিআইপির সর্মথকরা আকস্মিক হামলা চালিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের গাড়ি ভাংচুর করে তাদের মারধর করে আহত করে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলা কারিরা পালিয়ে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায় স্থানীয়রা।
আহত মুক্তিযোদ্ধাদের গাড়ি চালক,মোঃ শরিফ বলেন,আমরা প্রচার-প্রচারণা শেষে বাড়ি ফেরার পথে চেয়ারম্যান প্রার্থী দোয়াত কলমের বিএম শোয়েব সিআইপি কর্মিসর্মথকরা লাঠিসোঁটা ও দাড়ালো অস্ত্রস্বাস্ত্র নিয়ে আমাদের গাড়ি বহরে হামলা চালিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের মারধর করে৷ এসময় আমি বাধা দিলে হামলাকারীরা আমাকে মেরে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীযরা এগিয়ে আসলে হামলা কারিরা পালিয়ে যায়।
হামলার ঘটনায় লিখতে অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে লৌহজং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার ইমাম হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে৷