মোঃ জাফর মিয়া, মুন্সিগঞ্জঃ
মুন্সিগঞ্জের হাসাইল পদ্মার শাখা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় ট্রলার ডুবির ঘটনায় এখনো দুজন নিখোঁজ। এর আগে গতকাল শনিবার দূর্ঘটনার পরপরই শিশুসক দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিখোঁজ দু’জন হলেন ঢাকা ধানমন্ডির মাহফুজুর রহমান রানা অপরজন জেলার সিরাজদিখানের হারুনর রশীদ। নিখোঁজদের উদ্ধার নদীতে তল্যাশী চালাচ্ছে উদ্ধার অভিযানেরঅংশ নেয়া ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশের সদস্যরা।
স্থানীয়রা জানান,শনিবার সন্ধ্যায় বাল্কহেডে ধাক্কায় ডুবে যাওয়া ট্রলাটি থেকে এখন পর্যন্ত শিশু সহ দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত দুই ব্যাক্তি নিখোঁজ রয়েছে তারা হলেন ধানমন্ডির মাহফুজুর রহমান রানা অপরজন জেলার সিরাজদিখানের মালখানগ এলাকার হারুনর রশীদ।
নিখোঁজদের উদ্ধারে কাজ করেছে ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয়রা।
ফায়ার সার্ভিসের জেলা স্টেশন অফিসার মোঃ মোহসিন ট্রলার ডুবি ঘটনায় দুই জনের মরদেহ গতকাল রাতে উদ্ধার হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত দুই জন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানতে পেরেছি তাদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে ।
তবে ডুবে যাওয়া ট্রলাটিতে ডুবুরি দল তল্যাশী চালিয়ে কোন মৃতদেহ পায়নি। বিআইডব্লিউটিএর উপ-পরিচালক মোঃ ওভায়দুর করিম বলেন,নিম্নচিত ট্রলাটির উদ্ধার বিআইডব্লিউটিএর একটি ক্রেনবোর্ড আসছে। খুব দ্রুত ডু্বে যাওয়া ট্রলাটি উদ্ধার করা হবে বলে আমরা আসাবাদী।
তবে নিখোঁজদের না পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলমান থাকবে জানিয়ে চরআব্দুল্লাহপুর নৌ-ফাড়ি ইনচার্জ মোঃ হাসনাত জামান বলেন,দূর্ঘটনার সাড়ে জড়িত বাল্কহেডটি আটক করা হয়েছে। চালক পলাতক রয়েছে।
তাদের আটকের চেষ্টা চলছে। তবে নৌ-পুলিশের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিটের ডুবরি দল ও বিআইডব্লিউটিএর সদস্যরা উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছে।
উল্লেখ্য গতকাল শনিবার হাসাইলের মিয়া বাড়ির ঘাট থেকে ৩৫-৪০ জনযাত্রী নিয়ে হাসাইল বাজারের উদ্দেশ্যে ট্রলাটি ছেড়ে মাঝ নদীতে আসলে লৌহজংগামী একটি বাল্কহেড ট্রলারের উপর উঠিয়ে দেয়।
এতে ট্রলারসহ ট্রলারে থাকা সকল যাত্রী পানিতে তলিয়ে গেলে এক শিশু সহ দুইজনের মৃত্যু হয়। তবে এ ঘটনায় দুই জন নিখোঁজ রয়েছে।