মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
পদ্মায় অবৈধভাবে ড্রেজিং কালে মেশিন বিকল হয়ে আটকে পরেছে হাওলাদা ড্রেজিং প্রকল্প নামের একটি কাটার লোডিং ড্রেজার।
এতে করে পদ্মা নদীর সরিষা বন এলাকায় নৌযান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে৷ ঘটতে পারে দূর্ঘটনা।
রাতে অবৈধ ড্রেজিং শেষে শুক্রবার ভোরে ড্রেজিং স্থান ত্যাগ করতে গেলে ইঞ্জিন বিকল হয়ে আটকা পরে ড্রেজারটি।
এতে করে সবার নজরে আসে অবৈধ ড্রেজিং এর বিষয়টি। পরে ড্রেজাটিরে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ড্রেজারটি দিয়ে রাতের আধারে ড্রেজিং করার প্রমাণ মিলে। দেখা যায় ড্রেজাটির উপরিভাগে ড্রেজিং এর ফলে বালুর স্থর পড়ে আছে।
স্থানীয়রা জানান, রাতে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ি উপজেলার দিঘিরপাড় ইউনিয়নের সরিষা বন এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে অবৈধভাবে ড্রেজিং করে হাওলাদার ড্রেজিং প্রকল্প নামের একটি কাটার ড্রেজার পরে ভোরে ড্রেজিং স্থান থেকে ড্রেজাারটি সরিয়ে নেয়ার সময় বিকাল হয়ে যায় ড্রেজারের পাইপ টানার ইঞ্জিল।
ফলে প্রকাশ্যে আসে কারা এই ড্রেজিং এর সাথে জড়িত। এসময় তারা আরো জানান, হাওলাদার ড্রেজারটি কামার খাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মহিউদ্দিন হাওলাদার থেকে কিনে নেয় মান্না খান, শামিম মোল্লা সহ ৭ জন।
পরে বৃহস্পতিবার রাতে পদ্মায় অবৈধ ড্রেজিং শুরু করে তারা। ভোরে ইঞ্জিল বিকল হলে প্রকাশ্যে আসে ড্রেজিং বিষয়টি। দ্রুতার সহীত বিকল হওয়া ড্রেজারটি উদ্ধার করে নৌযান চলাচল স্বভাবিক করার দাবিও জানান তারা।
ড্রেজিং এর বিষয়টি অস্বীকার করে ড্রেজারটির মালিক পক্ষে পাটনার জানান, ড্রেজিং নয় ড্রেজারটি কিনে দিঘিরপাড় আনার পথে পদ্মা নদীর সরিষা বন এলাকায় পৌছলে ইঞ্জিন বিকল হয়ে আটকে পরেছে। আমরা ড্রেজার কিনার পরে এখন পর্যন্ত কোথাও ড্রেজিং করেনি।
এব্যাপারে চর আব্দুল্লাহ নৌ-পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মোঃ হাসনাত জামান জানান, শুনেছি একটি ড্রেজার বিকাল হয়ে পদ্মায় আটকা পরেছে।
তবে ড্রেজিং কলে সেটি বিকল হয়েছে কিনা এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত চলছে যদি ড্রেজারটি অবৈধভাবে ড্রেজিং এর সাথে জড়িত থাকে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।