স্বপ্ন জয়ের আরেক ধাপ, পারি দিলো ট্রেন,পূর্নাঙ্গতা পেলো স্বপ্নের পদ্মা সেতু

মুন্সীগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরো একস্বপ্নজয় । সড়কপথ যানচালু ১০মাসের মাথায় পদ্মা সেতুর রেলপথ সম্পূর্নের এবার সফলভাবে পদ্মা সেতু পারি দিলো দিলো পরিক্ষামূল ট্রেন। দুপুর ভাঙা থেকে মাওয়া পর্যন্ত পদ্মা রেলসংযোগ প্রকল্পের প্রস্তুত প্রায় ৪২কিলোমিটার পথ পারি দেয় পরীক্ষামূলক ট্রেন।পথে ট্রেন অতিক্রম করে ৬দশমিক ৬৮কিলোমটির পদ্মা সেতুর রেলপথের অংশ। বেলা ৩টা ২০মিনিটের দিকে পথে প্রথমবারের মত পুরো পদ্মা সেতু পারি দিয়ে পরিক্ষামূলক ট্রেনটি সফলভাবে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া স্টেশনে পৌছায়। এর মধ্যদিয়ে প্রথমবারের মত পদ্মা সেতু অতিক্রম করলো ট্রেন।পরিক্ষামূলক ট্রেনে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষ।

মাওয়া স্টেশনে প্রেস ব্রিফিং রেলমন্ত্রী নরুল ইসলাম সুজন। মন্ত্রী বলেন, সড়কসেতু প্রধানমন্ত্রী উদ্ধোধন করেছেন। আজ ট্রেন চলার মাধ্যমে এই সেতু পূর্নাঙ্গতা পেলো। আমাদের পরিকল্পনা আগামী সেপ্টেম্বরে ঢাকা থেকে ভাঙা পর্যন্ত রেলসংযোগ প্রকল্প কানেক্ট করবো, নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে চলাচলের জন্য উপযোগী হবে। আজকের পরিক্ষামূলক ট্রেন চললো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেপ্টেম্বর মাসে সেটির উদ্ধোধর করবে। ২০২৪সালের জুন মাসের মধ্যে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত রেলসংযোগ প্রকল্প চালু করা হবে। ঢাকা থেকে ভাঙা পর্যন্ত সংযুক্ত করা গেলে এই অংশ দিয়ে নিয়মিত ট্রেন চলাচল করতে পারবে।

নরুল ইসলাম সুজন বলেন, ১৭২কিলোমিটার রেলসংযোগ প্রকল্পের তিনটি অংশের মধ্যে ঢাকা-ভাইঅংশ ৯১ভাগ কাজ শেষ হয়। এঅংশের ১৩টি মেজর ব্রীজের কাজ শেষ, রেলস্টেশনের কাজ ৩০ভাগ শেষ হয়েছে। যশোর থেকে ভাঙা পর্যন্ত ৮৩কিলোমিটার পথের কাজ ৯৩ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। মাওয়া-ঢাকা অংশের ১২কিলোমিটার সড়ক পথ শেষ হয়েছে। ভাঙা-যশোর অংশের কাজ ৯৩ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। ঢাকা-যশোর পর্যন্ত পুরো অংশের ৭৪ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এ প্রকল্পের অধীনে ১০০টি যাত্রীবাহী কোচ আমরা সংগ্রহের জন্য পরিকল্পনা রয়েছে । এরমধ্যে পাঁচল্লিশটি কোর্স এসে পৌঁছেছে বাকিগুলো আসছে ।

সাংবাদিকদের প্রশ্নে মন্ত্রী ব্যয় প্রকল্পব্যয় বৃদ্ধির এখন কোন সম্ভাবনা নেই৷ আগামীবছরের এবিষয়টি বলা যাবে।

পদ্মাপাড়ে উচ্ছাস:

স্বপ্নের সেতুতে ট্রেন চলায় উচ্ছ্বসিত সকলে। জানান দেশের উত্তরাঞ্চলের সাথে দক্ষিনাঞ্চলের যোগেযোগে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে এই রেলপথ। যাতায়াতে দূর্ভোগ লাগবের পাশাপাশি রাখবে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা।