নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে আলো-আঁধারে অবৈধভাবে প্রকাশ্যে ফসলি জমির মাটি কাটার মহোৎসব চালাচ্ছে প্রভাবশালী মহল। তিন ফসলী কৃষি জমি পরিণত হচ্ছে পুকুর-ডোবায়। দিন দিন ফসলের উৎপাদন কমছে, বেকার হচ্ছে কৃষক, পরিবেশ হচ্ছে দূষিত।
মাটি পরিবহনে ভারী ট্রাক ও মাহেন্দ্র ব্যবহারে ইউনিয়ন ও গ্রামীণ সড়ক হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্থ। আইন অমান্য করে এমনি কর্মকান্ড চলছে সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নে ভেকু দিয়ে এ মাটি কাটছে। অবৈধ মাহেন্দ্র চলাচলে ধুলার কুয়াশায় ঢেকে গেছে গোটা এলাকা দেখার কেউ নেই।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার কংশপুরা গ্রাম থেকে নয়াগাঁও বাজার হয়ে পাথর ঘাটা পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তা ধুলার কুয়াশায় ঢেকে গেছে। এই রাস্তায় প্রতিদিন গড়ে ৩ হাজার মাটির ট্রাক ও অবৈধ মাহেন্দ্র চলাচল করে।
এলাকা ধুলা-বালুতে আচ্ছন্ন হয়, এতে করে যাতায়াতে নানা শ্রেণির মানুষের শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। বাড়ছে জনমনে ক্ষোভ।
প্রকাশ্যে অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটা দেখলে মনে হয়, সরকার থেকে অনুমতি নিয়ে পুকুর খনন করছে। উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের বাসিন্দা জহির গ্রুপ, মামুন মেম্বার গ্রুপ ও আসাদ গ্রুপে এ মাটি কাটার মহোৎসব চালাচ্ছে। মাটি কাটার ঘটনাস্থলে গিয়ে জহির ও আসাদসহ জড়িতদের পাওয়া যায় নাই।
এবিষয়ে লতব্দী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ মামুন বলেন আমি মাটি কাটার সাথে জড়িত কথা টা মিথ্যা মাটি কাটার সাথে জড়িত জহির, আসাদসহ ত০/৪০ জন। আমি মাটি কাটা বাধা দিয়ে অনেকের শত্রু হয়েছি।
এবিষয়ে সিরাজদিখান উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা শরিফুল আলম তানভীর জানান আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সঠিক তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবো#