ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হলেন মুন্সিগঞ্জের কৃতি সন্তান মোহাম্মদ তানজিম ইসলাম জিহাদ।

সালমান হাসান, স্টাফ রিপোর্টারঃ

গত শুক্রবার ২৫ নভেম্বর, ২০২২ তারিখ তাকে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি পদে মনোনয়ন করা হয়।

উক্ত ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ কমিটির সভাপতি মোঃ ইব্রাহিম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুর রহমান হৃদয়।

উভয়ের স্বাক্ষরিত চিঠিতে মুন্সিগঞ্জের সন্তান মোহাম্মদ তানজিম ইসলাম জিহাদ সহ-সভাপতি পদের দায়িত্ব পান।

মোহাম্মদ তানজিম ইসলাম জিহাদ এর জন্মস্থান মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের জাজিরা কুঞ্জনগর গ্রামে।

নব নির্বাচিত সহ-সভাপতি মোহাম্মদ তানজিম ইসলাম জিহাদ এর সাথে সাক্ষাৎকারে বলেন, উনি আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান এবং স্কুল জীবনেই ভেবেছিলেন তিনি আওয়ামিলীগের সাথে রাজনীতি করবেন।

কারণ বঙ্গবন্ধুর অসামান্য ত্যাগের কারণে আজ স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি, বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন হয় তারই দক্ষ নেতৃত্বে।

তাছাড়া এশিয়া উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তাঁরই হাতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এই কারণে ছাত্রলীগের প্রতি আমার ভালোবাসা জন্মায়।

এজন্যই আমার যৌবনের প্রথম প্রেম ছাত্রলীগ।

তিনি আরও বলেন, এই এই পোস্ট কখনো তাকে অহংকারী করে তুলবে না।

তিনি সহ-সভাপতি হওয়ার আগে যেমন বিনয়ী এবং সাবলীল ছিলেন, ভবিষ্যতেও তেমনি থাকবেন।

তিনি দুঃখের সাথে বলেন, যোগ্যরা মূল্যায়ন পেলে নত হয়ে থাকে আর অযোগ্যরা মূল্যায়ন পেলে অহংকারী হয়ে যায়।

কিন্তু সব জায়গায় নিজের যোগ্যতাকে অতিক্রম করে কিছু প্রমাণ করতে যাওয়াটা বোকামি।

সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে সুসম্পর্ক রাখা এবং তাদের কমান্ড মেনে চলার মধ্যেও সাংগঠনিক মেধার বিকাশ ঘটে।

তিনি সিনিয়র নেতাদের আহবান জানিয়ে বলেন- যোগ্য, মার্জিত, শিক্ষিত এবং পরিবার বহির্ভূত নয় এমন ছেলেদের মূল্যায়ন করলে সকল সংগঠন শক্তিশালী এবং নির্ভেজাল হবে।

দলীয় পদ যেটাই হোক, দেশের সেবা করা আর সাধারণ মানুষের বিপদে এগিয়ে আসাই একজন কর্মীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে মনে করেন।

তার দ্বারা সংগঠনের ভাবমূর্তি সবসময় বজায় থাকবে,ছাত্রলীগের নামে পেট চালানোর কথা ভুলেও ভাবেন না তিনি।

তার মতো সকল তরুণ ভাইদের পরামর্শ হিসেবে বলেন- যতটুকু সম্ভব সংগঠন কে ভালো কিছু দিয়ে যাওয়া উচিত যেন বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ বাংলাদেশের সবার প্রিয় সংগঠনে পরিণত হয়।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১১ বছর ছাত্রলীগ জীবনে এবার মূল্যায়ন পেয়েছেন”তিনি কখনো নিজেকে নেতা বলে পরিচয় দিতে চান না।

বাংলাদেশের নেতা একজনই, তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

এবং স্বাধীন বাংলাদেশ মানচিত্রের মহান স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে লালন করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ব্যানারে সবসময় দেশ ও মানুষের পাশে থাকতে চান।