শহিদ শেখ, শ্রীনগর মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
শ্রীনগরে বিএনপির মিছিলে হামলা করেছে ছাত্রলীগ। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার শ্রীনগর-দোহার বাইপাস সড়কে এই ঘটনা ঘটে। শ্রীনগরে থানার অফিসার
ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে ৩টি ককটেল ও লাঠিসোটা উদ্ধার করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে উপজেলা বিএনপি বাইপাস এলাকায় জড়ো হয়ে মিছিল বের করে। এসময় ছাত্রলীগ মিছিল করে ওই এলাকায় এসে মিছিলে হামলা করে মারধর শুরু করে। এসময় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাফিজুল ইসলাম খান , মহিলা দলের নেত্রী সেলিনা রিনা, যুবদলের সভাপতি জয়নাল আবেদীন জেমস,যুবদল নেতা মাসুদ রানা সহ বেশ কয়েকজনকে বেদম মারধর করে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
বিএনপির দাবী, ছাত্রলীগ বিনা উস্কানীতে তাদের মিছিলে হামলা করে অন্তত ৫০ জন নেতা কর্মীদেরকে মারধর করে। আহতদের মধ্যে ১৪ জনকে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি
করা হয়। এর মধ্যে গুরুতর আহত ২ জনকে কর্তব্যরত
চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
প্রেরণ করেন।
তবে ছাত্রলীগ দাবী করে বিএনপির লোকজন তাদের মিছিলের দিকে এগিয়ে এসে
হট্টোগোল সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে তারা ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের মারধর করে। আহত ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
বেলা ১১ টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের
সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব সেলিম আহমেদ
ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব তোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগ,যুবলীগ ও সেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ফ্লাইওভারের নীচে অবস্থান নেয়।
এসময় বিএনপির নেতা কর্মীদেরকে শ্রীনগরে
প্রবেশে বাধা দেয় বলে বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেন। পরে তারা আটপাড়া এলাকায় সমাবেশ করে। দুপুর ১২ টার দিকে বিএনপি নেতা কর্মীদের প্রতিহত করতে শ্রীনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মসিউর রহমান মামুনের
নেতৃত্বে এম রহমান শপিং কমপ্লেক্সের সামনে থেকে মিছিল বের হয়। শ্রীনগর উপজেলা বিএনপি তাদের নেতা কর্মীদের হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার বিকালে ১৪টি ইউনিয়নে প্রতিবাদ সমাবেশের কর্মসূচী ঘোষণা করে।
শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ
আমিনুল ইসলাম বলেন, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেছে। পরে ঘটনাস্থল থেকে ৩টি ককটেল ও লাঠিসোটা উদ্ধার করা হয়েছে। ছাত্রলীগ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। বিএনপির কেউ থানায় আসেনি।