সৈয়দ মোঃ শাকিল.বিশেষ প্রতিনিধিঃ
রাজধানীর ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ছায়ানীড় প্রকাশনীর আয়োজিত ৩৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশনা, সংবর্ধনা ও মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।
আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী কে.এম. খালিদ। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ধীরেন্দ্র নাথ দত্তের নাতনি আরমা দত্ত (এম.পি), খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, মোঃ মনছুরুল আলম অতিরিক্ত সচিব বানিজ্য মন্ত্রনালয়, মান্নান মানিক বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজ সেবক।
অনুষ্ঠান প্রারম্ভে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত, গীতা পাঠ ও রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ এর একঝাঁক উদীয়মান তরুন শিল্পীদের দলীয় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রকাশনা পর্বে নির্বাচিত দেশের স্বনামধন্য পনেরো গুনী লেখকের প্রকাশিত পনেরটি ভিন্ন ধারার বইয়ের মোড়ক উম্মোচন করা হয়। পরে নির্বাচিত লেখদের উত্তরন পরিয়ে ও ক্রেষ্ট প্রধানে মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
গর্বিত সংবর্ধিত লেখকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভাষা সৈনিক বজলুর রহমান, অধ্যাপক ড. আব্দুল আজিজ, সুকুমার চক্রবর্ত্তী, ড. ইউনুস খান, ডা. রতন দত্ত সাহা, বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান, অধ্যাপক বিলকিস খানম পাপড়ি, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ডা. ডিকে দাশ, মোশতাক আহাম্মদ, নাহিদ হোসনা, কবি জমির উদ্দিন মিলন, আবু হাসান তালুকদার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী কে.এম খালিদ বলেন ভাষা শহীদের রক্তে রঞ্জিত বাংলা ভাষা। এই স্বাধীন বাংলাদেশের সূর্য উদিত হয়েছে আজ থেকে একশত বছর পূর্বে জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের বাংলাদেশে জন্মের মধ্যদিয়ে। এ বছর আমরা তার জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তি পালন করছি। তিনি আরোও বলেন আমরা বায়োজষ্ঠ্যরা হয়তো স্বাধীন বাংলাদেশের শতবছর উদযাপন করতে পারবো না তবে আমার বিশ্বাস অনাগত ভবিষৎত এদেশের শত বছর উদযাপন করবে বঙ্গবন্ধু আর্দশ অক্ষুন্য রেখে ও তার লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে।
আয়েজিত সভা প্রকাশনা ও সংবর্ধনা শেষে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ এর ছাত্র শিক্ষকদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা পরিবেশন করা হয়।