রুবেল মাদবর, মুন্সীগঞ্জঃ
ঈদকে সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে জমে উঠেছে গরুর ছাগলের হাটে। প্রতিদিন বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে দেশীয় গরু-ছাগল নিয়ে আসছেন খেতেরপাড়া হাটে। গরুর বেপারীরা জানান, এ বছর পশু মোটাতাজা করায় অধিক খরচ হলেও গত বছরের চেয়ে কম দাম চাওয়া হচ্ছে গরু ছাগলের। অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী কোরবানি পশু কিনে নিয়ে যাচ্ছে।
হাট কমিটি মোঃ জুলাস বেপারী জানান, আমাদের হাটে মাস্ক পরিধান করছে, সাস্থ্য বিধি মেনে হাটে গরু কেনা বেচা করছে খেতের পাড়া হাটে।
লৌহজেংর খেতেরপাড়া এই হাটে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত বেচাকেনা চলবে।
বিক্রেতারা দেশের বিভিন্ন জেলার থেকে কোরবানির পশু এনেছে হাট গুলোতে তাই জমতে শুরু করেছে খেতেরপাড়া হাটে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,খেতেরপাড়া, পশুর হাটে, মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে গরু বেচাকেনা চলছে।

ফরিদপুর থেকে গরু বিক্রেতা মো. মিন্টু মিয়া, জানান, ৪০টি গরু নিয়ে আসছে বিক্রয় করার জন্য। প্রতিবছর এই হাটে আসি। গতবছর থেকে এবার গরুর খাদ্য দাম বৃদ্ধি হওয়ায় গরু মোটা তাজা করতে খরচ বেশি পরেছে।
বিক্রেতা মো. কাসেম বেপারী জানান, গত বছরের চেয়ে এ বছর দেশীয় পদ্ধতিতে আমরা গরু, মোটাতাজা করতে অনেক টাকা খরচ করেছি। তাই কোরবানির হাটে পশুগুলোর দাম একটু বেশি রয়েছে। কিন্তু আমরা যদি গরুর দাম দেড় লাখ চাই তাহলে ক্রেতারা তার দাম বলেন ৯০/১ লাক্ষ আর যদি এক লাখ টাকা চাই তাহলে ক্রেতারা বলেন ৫০-৬০ হাজার।
খেতেরপাড়া গাংচিল বাসষ্ট্যান্ট হাট ইজারাদার আনোয়ার হোসেন বেপারী জানান, সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে বেচাকেনা হচ্ছে। এই হাটে গরু আসতে শুরু করেছে। আগামী দুদিনে প্রচুর পরিমাণে গরু আসবে।