মোঃ জাফর মিয়া, মুন্সীগঞ্জঃ
অতিরিক্ত যাত্রীবহন, লাইপ জ্যাকেট কিং অতিরিক্ত ভাড়া সব যেন একের অপরের পরিপুরক। এখানে সব অনীয়ম নিয়মে পরিনিত হচ্ছে ঘটছে দূর্ঘটনা ঝড়ছে প্রাণ।
কৃর্তৃপক্ষে উদাসিনতাকেই দায়ী করছে সাধারণ যাত্রীরি। সারাবছর সব অনিয়ম নিয়মে পরিনিত করলেও দূর্ঘটনা ঘটলে টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের।
দক্ষিনবঙ্গের ২১ জেলার অন্যতম প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুট। এই নৌরুটে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী পারপার হয় স্পিডবোটে।
নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অসাধু স্পিডবোট কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত যাত্রীবহনে পাশাপাশি ১৮০ টাকার ভাড়া ৩শ থেকে সাড়ে ৩শ টাকা নিয়ে থাকেন। নেই দক্ষচাল, দেয়া হয়না লাইপ জ্যাকেটসহ নিরাপত্তা সামগ্রী।
ফলে প্রতিদিন বড় থেকে ছোটখাটো দূর্ঘটনা ঘটছে পদ্মার বিভিন্ন পয়েন্টে। আজ সোমবারের দূর্ঘটনাও একটি অসাবধাণতার ফসল। সকালে দূর্ঘটনার পরপরই বন্ধ করে দেয়া হয় সকল স্পিডবোট।
বর্তমানে যাত্রী শুণ্য অবস্থায় পরে আছে স্পিডবোটের ঘাটটি। সারা বছর অনিয়মের আকড়ায় ডুবে থাকলেও দূর্ঘটনা ঘটলেই টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের।
সকার ঘোষিত লকডাউনে স্পিডবোট বন্ধ থাকার কথা থাকলেও নৌ-পুলিশের কর্মকর্তাদের সাথে আতাত করে চালানো হতো স্পিডবোট এমন অভিযোগ করে ঘাট এলাকার লোকজন। নেয়া হতো অতিরিক্ত যাত্রী। ফলে আজকের দূর্ঘটনা।
নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত যাত্রী নেয়াটা নিয়মে পরিনিত করেছেন স্পিডবোর্ট কর্তৃপক্ষা।
তবে ঘাটের কোনো স্পিডবোট চলাচল করে এমন দাবী করে স্পিডবোট কর্তৃপক্ষের একজন মুঠফোনে বলেন,আমাদের সকল স্পিডবোট বন্ধ রয়েছে।যেগুলা চুরি করে চলাচল করে সেগুলো আমাদের ঘাটের বোট নয়।
এব্যাপারে নৌ-পুলিশের ফাড়ি ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম বলেন,আমাদের শিমুলিয়া ঘাট থেকে স্পিডবোট বন্ধ রয়েছে । যা দু’একটা চলাচল করে তা এই ঘাটের নয় বিভিন্ন চর থেকে তারা এসে চোরাই পথে যাত্রী পারাপার করে।