প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভেঙ্গে জমি দখলের চেষ্টা যুবলীগ নেতার। বাড়ীঘর ভাংচুর আহত ৮
মোঃ নাহিদ ইসলাম, মুন্সীগঞ্জ
সিরাজদিখানে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর ভেঙ্গে সরকারি জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদকে বিরুদ্ধে । এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের একটি ঘরসহ ৪ টি বসত ঘর ভাংচুর করা হয়েছে আহত হয়েছে ৮।
এঘটনায় অভিযুক্ত মালখা নগর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আহসানুল ইসলাম আমিনসহ ৪ জনকে আটক করেছে সিরাজদিখান থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার বিকালে জেলার সিরাজদিখান উপজেলার মালখা নগর ইউনিয়নের কাজীর ভাগ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত হয়েছেন হেলেনা বেগম (৩৫).রিনা বেগম (৪৫).মাসুদা বেগম (৫০).বিথী বেগম (২৭)সহ ৮ জন আহত হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান,কাজীর ভাগ গ্রামে পাকিস্তান আমল থেকে সরকারি জমিতে লীজ নিয়ে বসবাস করে আসছে মৃত আলমগীর শেখের পরিবার। সে জমি নিয়ে পাশ্ববর্তি মৃত মোশারফ খানের পরিবারের সাথে বিরোধ চলে আসছিলো।
বিরোধ কৃত জমি নিয়ে একাধিক মামলা হয় যার সব গুলোতে রায় পায় ভুক্তভোগী মৃত আলমগীর শেখের পরিবার।
মামলায় হেরে বৃহস্পতিবার মোশারফ মুন্সীর ছেলে মিথুন খান ও তার মেয়ের জামাই ফয়সাল মাঝী ও ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আহসানুল ইসলাম আমিনসহ তার দলবল নিয়ে বিরোধ কৃত জমি দখলে লক্ষে বাড়ীতে হামলা চালিয়ে মৃত আলমগীর শেখে ও তার বড় ভাই হিরন শেখের বিদবা মেয়ে হেলেনা বেগমকে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘরসহ ৪ টি ঘর ভাংচুর করে।
এসময় বাঁধা দিতে গেলে মেরে আহত করে ৮ জনকে। এ ঘটনার সাথে জড়িত অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা আহসানুল ইসলাম আমিন,মিথুন খান,সামু ও ফিরোজ খানকে আটক করেছে পুলিশ।

হামলার শিকার মৃত আলমগীরের প্রতিবন্ধি ছেলে রজ্জব শেখ বলেন,আমরা সরকারি জমি লীজ নিয়ে বাপ দাদার আমল থেকে বসবাস করে আসছি কিন্তু হঠাৎ করে বিগত ২০১৪ সাল থেকে পাশ্ববর্তি মোশারফ খানের চোখ পরে জমিটিতে দখলের চেষ্টাও করে একাধিকবার।
বিগত একমাস আগে মোশারফ খান মারা গেলে তার ছেলে ও মেয়ের জামাই জমিটি দখলের নেয়ার জন্য উন্মমাদ হয়ে উঠে তারই ধারাবাহীকতায় বৃহস্পতিবার হামলা চালীয়ে বসতঘর ভাংচুর চালায় মারধর করে আমাদের। পরে ৯৯৯ কল দিলে পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে।
ঘটনার সাথে জড়িত ৪ জনকে আটক করা হয়েছে দাবী করে সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) বোরহান উদ্দিন বলেন,বাড়ীঘর ভাংচুর ও সরকারি জমি দখলের চেষ্টায় হামলা মারধরের একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।