প্রধানমন্ত্রীর নিকট অভিযোগ, স্কুল প্রতিষ্ঠায় জমি দান করেও দাতা সদস্যের তালিকায় নাম নাই।

স্টাফ রি‌পোর্টারঃ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানাধীন নওয়াপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অনিয়ম ও স্কুল প্রতিষ্ঠায় জমি দান করেও দাতা সদস্যের তালিকায় নাম না থাকা ও অবমূল্যায়নের প্রতিকার

চেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অভিযোগ করেছেন একই এলাকার মোঃ হারুন খান।
অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, তিনার পিতা মৃত মকবুল হোসেন খান একজন শিক্ষানুরাগী ছিলেন ১৯৯৩ সালে এলাকায় শিক্ষার প্রসারে আলফাডাঙ্গা থানাধীন নওয়াপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজ আরম্ভ করেন। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে জমির প্রয়োজন হওয়ায় নিজ

মালিকানাধীন সম্পত্তি থেকে গত ০৩/০৮/১৯৯৩ ইংরেজি দলিল নং- ১০১০/৯৩ ও ০৩/০৮/৯৪ সালে ১৬১৮/৯৪ দলিল করে ৮৪ শতাংশ জায়গা স্কুলের নামে দান করেন। স্কুল প্রতিষ্ঠার কয়েক বছর পর ১৮/০৫/৯৮ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

দুঃখের বিষয় হলো মহৎ দানে এই বিদ্যালয়ের ইমারত দাড়িয়ে আছে, সেই শিক্ষানুরাগী মকবুল হোসেনের নাম বিদ্যালয়ের কোথাও লেখা নাই।
এ ব্যাপারে মোঃ হারুন খান বলেন, জমির দাতা আমার বাবা সদস্য হিসেবে কোন সম্মান পায়নি

অথচ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে রাখা হয়েছে হেমায়েত উদ্দিন তালুকদারের নাম এই ন্যাক্কার জনক কাজের সাথে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ তালুকদার জড়িত। এই বিদ্যালয়ে

পরিচালনায় নানাবিধি অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে এলাকার শিক্ষানুরাগী সচেতন মহলের।

এই বিদ্যালয়ের অনেক জমি ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও এই ম্যানেজিং কমিটির কাছে যেন সবাই জিম্মি।

এই সকল ঘটনার প্রতিবাদ করায় এখন আমার পরিবারকে নিজ জমি থেকেও উচ্ছেদের জন্য বিভিন্ন রকম অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন,

মোঃ হারুন খান তিনি অত্র বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হওয়ার জন্য কোর্টে মামলা করেন সেই মামলা খারিজ হয়েছে।

আমি একটা বেড়াজালে পড়েছি শিক্ষা অফিস কর্মকর্তারা আমাকে বলতেছে আমি হারুন খানকে শেল্টার দিচ্ছি।

কেউ যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জমি দান করেন তাহলে সে জীবিত থাকা অবস্থায় প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে থাকবে।

তিনি মারা গেলে তার ওয়ারিশ সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে থাকতে পারবে না এই মূলে মামলা খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে কথিত প্রতিষ্ঠাতা হেমায়েত উদ্দিন তালুকদার বলেন, এ বিষয়ে কোর্টে মামলা হয়েছিল সে মামলা খারিজ হয়েছে।

বর্তমানে আমি করোনায় আক্রান্ত। বাড়িতে আছি এখন কোন কথা বলতে পারছিনা। পরবর্তীতে যোগাযোগ করবেন।