মোঃ খায়রুল ইসলাম হৃদয়, গজারিয়া প্রতিনিধি :
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল(অবঃ)ড.এম সাখাওয়াত হোসেন এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়,বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান,
মুন্সিগঞ্জে বানিজ্যিক নৌযান প্রকল্পের নানা কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিতে আসেন।মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার আওতাধীন মেঘনা নদীরকূল গেসে দেশের বিহত বেসরকারি শিপইয়ার্ড ইন্ডাস্ট্রি ‘থ্রী এঙ্গেল মেরিন লিমিটেড’অবস্থিত।
সোমবার সকাল ১১ টায়,নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড.এম সাখাওয়াত হোসেন ৩৫টি বাণিজ্যিক জলযান নির্মাণ প্রকল্পের আওতাধীন এ “থ্রী এঙ্গেল মেরিন লিমিটেডে নির্মাণাধীন জলযানসমূহের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে আসেন।সে সাথে কর্মকর্তাদের সঙ্গে উক্ত বিষয় সহ নানা বিষয়ে আলোচনা করেন।
এসময় উপদেষ্টার কাছে যুদ্ধ জাহাজের মত সামরিক জলযান নির্মাণে বাংলাদেশের সক্ষমতা কতখানি তা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘এই প্রশ্নের উত্তর আমি দিতে পারবো না’।
থ্রি-অ্যাঙ্গেল শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম বলেন, শীঘ্রই আমরা নৌযানগুলো বুঝিয়ে দেওয়া শুরু করবো। চলতি বছরের মধ্যে নৌযানগুলো হস্তান্তর কার্যক্রম শুরু হবে।
পর্যায়ক্রমে ৬টি ফেরি, ২টি ফায়ার ফাইটিং টাগবোট, ২টি কোস্টাল ওয়েল ট্যাংকার, ৪টি কেস্টাল সি-ট্রাক, ৩টি মর্ডান ইনল্যান্ড প্যাসেঞ্জার ভেসেল ও ১টি ইনস্পেকশন বোট হস্তান্তর করা হবে।
সে সময় উপদেষ্টা ড.এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সব কাজ সঠিক ভাবে হলে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই নৌযান গুলো আমরা পাওয়া শুরু করবো।
সে সঙ্গে থ্রী এঙ্গেল মেরিন লিমিটেড এর আওতাধীন স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির জমি জোরপূর্বক দখলের বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি হামিদা মুস্তফার নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান স্যার আমি সপ্তাহ খানেক হল নতুন জয়েন্ট করেছি।
তখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও আশরাফুল আলম বলেন,সাড়ে সাত একর জমির অভিযোগ পাওয়ার পর ৩.১০ একর জমির টাকা দেবার ব্যবস্থা করেছি বাকি গুলো দ্রুত হবে।
এ বিষয় থ্রী এঙ্গেল মেরিন শিপিং লিমিটেড এর পরিচালক প্রোডাকশন বিভাগের মোঃ মাহমুদ সাহেব জানায়,তারা সকলের টাকা পরিশোধ করে দিয়েছে,তবে জমি রেজিষ্ট্রেশন হয়নি,রেজিষ্ট্রেশন হলেই তাদের টাকাও দিয়ে দেয়া হবে।
উপদেষ্টা ড.এম সাখাওয়াত হোসেন এর সঙ্গে সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়,বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান,
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান মো. সলিম উল্লাহ, বিআইডবিউটিসির প্রকল্প ও প্রধান প্রকৌশলী পরিচালক জিয়াউল ইসলাম,মুন্সিগঞ্জের জেলাপ্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাত,পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার,গজারিয়া উপজেলার ইউএনও আশরাফুল আলম, হামিদা মুস্তফা,ওসি আনোয়ার আলম আজাদ সহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
০৪/০৮/২০২৫ইং.