মুন্সীগ‌ঞ্জে বছরের পর বছর আলুতে লোকসান খেয়ে ভুট্টা চাষে সফল হয়েছে বিল্লাল গাজী
মোঃ জাফর মিয়া, মুন্সীগঞ্জঃ
বছরের পর বছর আলুতে লোকসান খেয়ে ভুট্টা চাষে সফল হয়েছে মুন্সীগঞ্জের চরাঞ্চলের বিল্লাল গাজী নামের এক চাষি। তিনি গত ৪ বছর যাবত আলুর পরিবর্তে ভুট্টা চাষ করে বেশ লাভবান।
মুন্সীগঞ্জে এবার রেকর্ড পরিমাণ জমিতে ভুট্টার চাষ হয়েছে। এতে বাম্পার ফলনের স্বপ্ন বুনছেন কৃষক।   ভুট্টা চাষে দরিদ্র কৃষকেরা আর্থিকভাবে সফল  হচ্ছে। তেমনই এক কৃষক বিল্লাল হোসেন গাজী। তিনি সদর উপজেলার চরাঞ্চলের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের ও পাশ্ববর্তি যশলং ইউনিয়েন বিভিন্ন এলাকায় ভুট্টার আবাদ করেছে।
 তার রোপনকৃত মাঠের পর মাঠ ভুট্টাখেত সবুজ রঙের গাছগুলো দেখলেই চোখ জুড়িয়ে যায়। খেতগুলোতে পানি ও কীটনাশক দেওয়া এবং পরিচর্যায়  ব্যস্ত সময় পার করছেন । এর আগে তিনি ধার দেনা করে  আলু চাষ করে কয়েক বছর লোকসানে পরে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছে।
কিন্তু বিগত ৪ বছর যাবত ভুট্টা চাষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে বিল্লাল গাজীর। তিনি ভুট্টা চাষ করে নিজে যেমন লাভবান, তেমনি ভাবে ১০ থেকে ১২ জন শ্রমিককেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ করেছেন। ভুট্টা গাছসহ উত্তোলণ করে তা মেশিনের সাথে কেটে গুরো করে কেজি ধরে বিক্রী করে থাকেন।
 যা গবাদিপশুর পুষ্টিগুণ খবারের পরিনিত হয়। এছাড়াও তিনি আলাদা ভাবে ভুট্টাও বিক্রি করে থাকেন। তাতে তিনি বেশ লাভবান। যদি সরকারি পৃষ্টপোষকতার পাশাপাশি কৃষি সম্পসার অধিদপ্তরের ট্রেনিং এর মাধ্যমে কৃষকদের ভুট্টা চাষে আগ্রহ বাড়ানোর যায়।
তাহলে বছরের পর বছর লোকসানে থাকা কৃষরা আলোর মুখ দেখবে বলেও দাবী তার।
জেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ৫ শ  হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু লাভজনক হওয়ায় এবং স্থানীয় মাটিতে ভালো ফলন হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ইতিমধ্যে প্রায় ৮ শ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে।
আলু প্রধান জেলায় এবার রেকর্ড পরিমাণ জমিতে ভুট্টা চাষ হচ্ছে। এ ছাড়া সব সময় বাজারে ভুট্টার দামও বেশি থাকে। এ জন্য কৃষকেরা ভুট্টা চাষে ঝুঁকে পড়েছেন।