মোঃ লিটন মাহমুদ ,মুন্সীগঞ্জ,
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে নড়বড়ে কাঠের পুলে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। টঙ্গীবাড়ী উপজেলার যশলং ইউনিয়নের যশলং খালের ওপর নির্মিত কাঠের পুলটি সংস্কারের অভাবে পাটাতনের তক্তা ভেঙে গেছে। পুলের খুঁটিগুলোও নড়বড় করছে। যেকোনো সময় পুলটি ভেঙে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বর্তমানে দশটি নড়বড়ে কাঠের খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে পুলটি। ভাঙা কাঠের নড়বড়ে পুলটির অনেক অংশে কাঠ ভেঙে ফাঁকা হয়ে গেছে। পথচারীরা পারাপারের সময় পুলটি দুলতে থাকে। পারাপারের কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে টুনিসা ,নৈদির পাথর ও যশলং গ্রামের মানুষ ওই পুলের ওপর দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে।
লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি-৩) ১৯৯৭-১৯৯৮ অর্থবছরে তৎকালীন যশলং ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও প্রকল্পের সভাপতি এবং তৎকালীন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বাদশা মোল্লার চেষ্টায় ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে কাঠের পুলটি নির্মাণ করা হয়।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স নিবীর এন্টারপ্রাইজ ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য, ৬ ফুট প্রস্থ এ পুল নির্মাণ করে। এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিম যশলং শেখ বাড়িসংলগ্ন খালের ওপর পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু তাঁদের দাবি আজও পূরণ হয়নি।
সরজমিন দেখা যায়, কাঠের পুলে ওঠা-নামার জন্য দুই পাশে কোনো কাঠ লাগানো হয়নি। পুলটির দুই পাশে ফাঁকা থাকায় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে ছোট ছোট কোমলমতি শিশুসহ বৃদ্ধরা।
স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন শেখ ( ৬৫)
জানান, কাঠের পুলটির দুই পাশে ফাঁকা থাকায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে মানুষ। এলাকাবাসী বেশ কয়েকবার বাঁশ দিয়ে পুলটির ভাঙা অংশ মেরামত করেছেন। তাই এটি সংস্কার করা প্রয়োজন।
যশলং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃআবু ছালাম শেখ আমাদের বলেন ,আমার ওয়ার্ডের খুব পুরাতন খালের উপর এই কাঠের পুল টি ভেঙ্গে কালবাট তৈয়ারী জন্য ২০২২ সালে ৭০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়ে কিন্তুু অতি দুঃখের বিষয় দৈঘ দিন হতে চলছে কালবাটের কাজ শুরু হচ্ছে না কেন তা সাংবাদিক ভাই কে সেই তর্থ্য উদঘাটনের অনুরোধ করেন ।
যশলং ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন বাবু জানান, কাঠের পুলের পরিবর্তে সেখানে পাকা কালভার্ট এর ২০২২ সালে মাঝামাঝি তে ৭০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে কেন কালভার্ট টির কাজ কেন ধরছে না এই ব্যাপারে উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার সাহেব এর সাথে কথা বলে পরে আপনাদের বিস্তারিত জানাতে পারবো ।
এ বিষয় টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নিবার্হী অফিসার শাহ মোয়াজ্জেম সাথে যোগোযোগ করলে তার মোবাইল ফোন বন্দ পাওয়া যায়।