মুন্সীগ‌ঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সিরাজদিখান মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুমন মিয়াসহ ১৮ জুনের বিরুদ্ধে সিরাজদিখান বাদী হয়ে মামলা করেছেন,

একই ইউনিয়নের চন্দনধুল গ্রামের মৃত হাজী আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে হাজী মাসুদ রানা (দেলোয়ার হোসেন) (৫৯) মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে ইউপি নির্বাচনের জের ধরে গত ৪ জুন রাত সাড়ে ১০ টায় ইউপি চেয়ারম্যান সুমন মিয়া সহ আরও ৪০/৫০/ মাসুদ রানার বসত বাড়ীতে প্রবেশ করে বাড়ীর কাজের মেয়েকে মারধর করে বসত ঘরে প্রবেশ মূল্যবান আসবাবপত্র ভাঙচুর করে আলমারিতে থাকা ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায় তার সহযোগীরা।

পরে সিরাজদিখান থানায় চেয়ারম্যানসহ ১৮ জনকে আসামি করে আরও ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাত নামা আসামি করে একটি মামলা রুজু করা হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান সুমন মিয়া জানান,

মাসুদ রানার বাড়ির পাশের বাড়ির তৈয়ব নামের একজনের সাথে তার দ্বন্দ্ব ছিল তারই জের ধরে ঐ হাতাহাতি ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে,

আমি ঐখানে গিয়েছিলাম মিলমিশ করে দেওয়ার জন্য মাসুদ রানা আমার সাথে ও খারাপ ব্যবহার করেছে। তাই আমার  লোক একটু উক্তজিত হ‌য়ে‌ছিল আমি আমার লোক‌দের উক্ত‌জিত হ‌তে দেই নাই। আ‌মি আমার মুর‌ব্বি‌দের সা‌থে কথা ব‌লে‌ছি,  তা‌দের সা‌থে কথা ব‌লে সাংবা‌দিক‌দের সা‌থে কথা বল‌বো এর আ‌গে আপনাদের সা‌থে কথা বল‌তে পার‌বো না।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মামলা বাদী মাসুদ রানা (দেলোয়ার হোসেন) জানান ইউপি নির্বাচনে আমি নৌকার নির্বাচন করার কারণেই এই হামলার শিকার হয়েছি। ঘটনার রাতে সিরাজদিখান সার্কেল এসপি ও থানা পুলিশ আমার বাড়িতে এসে ঘটনা নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

পরে আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে ইছাপুরা ইউপি চেয়ারম্যান সুমন মিয়াসহ ২৮ জন ও অজ্ঞাত নামা ২০/২৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রুজু করেছি। আমি এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার ওসি এ,কে,এম, মিজানুল হক জানান লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে