সাজু হোসেন নারায়ণগঞ্জ:
জাতীয় শোক দিবস ও ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বাদ আছর গোদনাইল আরামবাগ এলাকাবাসীর উদ্যোগে স্বাধীন যব কল্যান ফাউন্ডেশনের সামনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এড. আবু হাসনাত মোঃ শহীদ বাদল।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৩০ লক্ষ শহীদের প্রাণ এবং ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়। মুক্তিযুদ্ধ যারা মেনে নিতে পারেনি তারাই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করে। কারন তারা চায়নি এদেশ উন্নত দেশ হিসেবে পৃথিবীর বুকে স্থান করে নিবে।
এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা করে হত্যা করতে চেয়েছিলো। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি।
তিনি আরো বলেন, মেজর জিয়া বঙ্গবন্ধুকে স্বপিরবারে হত্যার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত ছিলেন। আমরা তার মরণোত্তর শাাস্তি দাবী করছি। একই ভাবে তারেক রহমানও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টায় জড়িত। তাকে বাংলাদেশে এনে প্রকাশ্যে বিচারের দাবী জানাই। দেশের যুব সমাজ আজকে আজকে মাদকে জর্জড়িত। যুব সমাজকে বাঁচাতে হলে পরিবার সহ সমাজের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতিহত করতে হবে।
প্রধান অালোচক ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইফতেখার আলম খোকন বলেন, আজকে আমরা একটি স্বাধীন ভূখণ্ড পেয়েছি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্য। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। ঠিক তেমনি তার সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে চলেছেন তার তখনই তাকে হত্যার জন্য বার বার চেষ্টা করা হয়। আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ ও জাতির কল্যানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ১০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদীর মোল্লার সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, ১০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন মোল্লা, সাধারন সম্পাদক নুর আলী মিয়া, আবুল হাসনাত কবির, মাহবুব হোসেন, মোঃ কামরুজ্জামান, কাজী নাজমুল ইসলাম বাবুল, আবুল কালাম আজাদ, শাখাওয়াত হোসেন খোকন, কাজী আমির হোসেন, সেলিম পাঠান প্রমুখ।