হাইওয়ে ও পুলিশ চেকপোষ্টের অবহেলায় মাওয়া ঘাটে যাত্রীর ভিড়।

নিজস্ব প্রতি‌বেদকঃ
কঠোর লকডাউন ও কারফিউ জারির পরামর্শের পর থেকে দক্ষিণবঙ্গের ২ জেলায় বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় কোনভাবেই থামছে না।

বিআইডাব্লিউটিসি থেকে বন্ধ ঘোষণার পরও শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ রুটের ফেরিতে থামছে না যাত্রীবাহী গাড়ি ও যাত্রী পারাপার।

পুলিশের চেকপোস্ট, ঘাট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা আর কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে ফেরিঘাটে যাত্রীদের আগমন দেখা যাচ্ছে। তবে হাইওয়ে ও পুলিশ চেকপোষ্টের অবহেলার কারণেই মাওয়া ঘাটে যাত্রীর এত ভিড়।

খোজ নিয়ে জানা যায়, হাষাড়া হাইওয়ে পুলিশ ও মোক্তারপুর ব্রীজের চেকপোষ্ট ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিনই মাওয়া শিমুলিয়া ঘাটে ভিড় জমাচ্ছে যাত্রীরা।

হাষাড়া হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে সিএনজি ধরে ছেড়ে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা জেলা ও হাসাড়া হইওয়ে ও ধলেশ^রী টুল প্লাজার দুর্বলতার কারণেই যাত্রী ও গাড়ি মাওয়া শিমুলিয়া ঘাটে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

বিআইডাব্লিউটিসি থেকে বন্ধের নির্দেশনার পরে রোববার (১১ জুলাই) সকাল ভোর থেকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া শিমুলিয়া ঘাটে হয়ে ফেরিতে পদ্মা পার হতে দেখা যায় শতশত যাত্রী ও যাত্রীবাহী গাড়ি। এতে ফেরিতে উপেক্ষিত থাকছে স্বাস্থ্যবিধি।

ঘাটকর্তৃপক্ষ জানায়, আসন্ন ঈদ ও লকডাউনের সময় বৃদ্ধিতে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রীরা ভেঙে ভেঙে ঘাটে পৌঁছাচ্ছে। এরপর নির্দেশনা উপেক্ষা করে ফেরিতে নদী পার হচ্ছে তারা।

এ বিষয়ে বিআইডাব্লিউটিসি শিমুলিয়াঘাটের ব্যবস্থাপক সাফায়েত আহমেদ জানান, নৌ-রুটে বর্তমানে ১০ ফেরি চালু রয়েছে। যাত্রীবাহী গাড়ি ও যাত্রী পারাপারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে ঢাকা থেকে সড়ক পথে পুলিশের চেকপোস্ট উপেক্ষা করে যাত্রীরা ঘাটে আসছে। তাদের ফেরিতে উঠা থামানো যাচ্ছে না। তাই এখন যেসব যাত্রীরা ঘাটে আসছে তাদের স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য উৎসাহিত করা করা হচ্ছে।

এর আগে শুক্রবার (৯ জুলাই) বিআইডব্লিউটিসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৯ জুলাই থেকে ফেরিতে যাত্রীবাহী সব ধরনের গাড়ি ও যাত্রী পরিবহন বন্ধ থাকবে। এ সময় কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধু জরুরি পণ্যবাহী গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স পারাপার করতে পারবে। কিন্তু সকল কিছুই উপেক্ষিত হচ্ছে মাওয়া শিমুলিয়া ঘাটে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (৯ জুলাই) বিআইডব্লিউটিসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৯ জুলাই থেকে ফেরিতে যাত্রীবাহী সব ধরনের গাড়ি ও যাত্রী পরিবহন বন্ধ থাকবে। এ সময় কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধু জরুরি পণ্যবাহী গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স পারাপার করতে পারবে।