মোঃ জাফর মিয়া, মুন্সীগঞ্জঃ
মু্ন্সীগঞ্জে মারামারি থামাতে গিয়ে ১১ জন মামলার আসামী হয়েছেন বলে আভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার সুধারচর এলাকায়। সেখানে সোমবার (২৬ এপ্রিল) আপন দুই ভাইয়ের পরিবারে মধ্যে মারামারি থামাতে গিয়ে আসামী হন তারা।
স্থানীয়রা জানান,সুধার চর এলাকার আপন দুই ভাই সুকুমার মন্ডল ও দিলিপ মন্ডলের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে বড় ভাই সুকুমার মন্ডল জোর করে তার আপন ছোট ভাই দিলিপ মন্ডলের জমি দখল করতে চায়। সেই লক্ষে ইতোমধ্যে অসহায় দিলিপ মন্ডলের স্ত্রী অনিতা মন্ডলকে একাধিক বার মেরে বাড়ী ছেড়ে চলে যেতে বলে তারই ধারাবাহীকতায় সোমবার (২৬ এপ্রিল) সকালে অনিতা মন্ডল ও তার ৮ মাসে শিশু সন্তানকে রাস্তায় ফেলে মারধর করতে থাকে পরে স্থানীয় মধু মন্ডল,শুভ মন্ডলসহ ১২/১৫ জন এগিয়ে এসে অনিতা মন্ডলকে উদ্ধার করে। পরে অনিতা মন্ডল পরিবারে লোকজন ও সুকুমার মন্ডেল লোকজনের মধ্যে মারামারি বেধে যায় সেই মারামারি থামাতে গিয়ে আসামী হয়েছেন মধু মন্ডল ও তার ছেলেসহ ১১ জন এমন অভিযোগ তার ।
নির্যাতনের শিকার অনিতা মন্ডল বলেন,আমার স্বামী গরীব অসহায় আর আমার ভাসুর বড়লোক তাই জোর করে আমাদের জমি দখলে নিতে চায়। জমি দখলে নেয়ার জন্য একাধিকবার আমাকে বাড়ী থেকে বের করে দিয়েছে। সোমবারও আমাকে রাস্তায় ফেলে মারধর করে পরে আস পাশের লোকজন এগিয়ে এসে আমাকে ও আমার সন্তানকে উদ্ধার করে। আমাদের মেরে আবার উল্টো টাকার জোরে মারামারি থামাতে আসা লোকজনসহ মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
এব্যাপারে অভিযুক্ত সুকুমার মন্ডল বলেন,আমার জমিটি পাসে কম হওয়ায় দুইয়ে জমির এক করে বাড়ী নির্মানের কথা বলি এক লাখ টাকাও দিতে রাজি হই তারা আমার অনুরোধ না রেখে আমার ও আমার পরিবারের লোকজনের সাথে কথা ককাটাকাটির এক পর্যায়ে মারামারি বেঁধে যায়। এই ব্যাপারে সদর থানা ওসি মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, মারামারির ঘটনা সত্য তবে স্থানীয় ভাবে তারা মিমাংসা করবে, একজন বাচ্চা ছেলেকে আটক করা হইছে তাকে ছেড়ে দিতে বলছি।