চাঁপাইনবাবগঞ্জে কঠোর লকডাউন জনপদ শুন্য

মোঃ রুবেল আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার প্রথমে ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে।

পরে এ নিষেধাজ্ঞা আরও দুই দিন বাড়িয়ে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। এ ৯ দিনে জনগণের চলাচল নিয়ন্ত্রণে সরকারি নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নে রাজপথে তেমন তৎপরতা দেখা যায়নি চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

তবে বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে শুরু হওয়া কঠোর বিধিনিষেধে দেখা যাচ্ছে গত সপ্তাহের বিপরীত চিত্র। রাস্তায় রাস্তায় পুলিশের চেকপোস্ট। এই চেকপোস্ট অতিক্রম করে কেউ যেতে পারছেন না।

সবাইকে সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে পার হতে হচ্ছে। এদিকে মুভমেন্ট পাস ছাড়া কাউকে চেকপোস্ট অতিক্রম করতে দেখা যায়নি।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকেই সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সড়কে খুব কম মানুষকে চলাচল করতে দেখা গেছে। দেখা যায়নি গণপরিবহন। চলছে অল্প কিছু ব্যক্তিগত যানবাহন। সড়কে চোখে পড়ার মতো রিকশা চলাচল করতে দেখা গেলেও এবারের চিত্র ভিন্ন।

এদিন সকালে দেখা গেছে, জেলা শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে বসানো চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা ঘরের বাইরে থাকা নাগরিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে পুরোপুরি নিরাপত্তা বলয় চাপাইনবাবগঞ্জে তৈরি করেছে পুলি।

সদর থানার ওসি মোযাফফর হোসেন। তিনি জানান; আজ সকাল থেকেই চেক পোস্ট গুলো বসানো হয়েছে। রাস্তায় যারা বের হয়েছে তাদের মুভমেন্ট পাস আছে কিনা চেক করা হচ্ছে।

যারা মুভমেন্ট পাস নিয়ে বের হচ্ছেন না তাদেরকে যেতে দেয়া হচ্ছে না গন্তব্য স্থলে।

তিনি বলেন, লকডাউনের প্রথম দিন হওয়ায় কেউ কেউ মুভমেন্ট পাস না নিয়েই বের হয়েছেন। জরুরি কাজে যেমন হাসপাতালের উদ্দেশ্যে যারা বের হয়েছেন তাদেরকে যেতে দেয়া হচ্ছে, তবে প্রথমদিন বলে এতটুকু ছাড় দেয়া হচ্ছে।

পরবর্তীতে এ ছাড় দেয়া হবে না।যারা মোটরসাইকেল নিয়ে বিনা কারণে বাড়ির বের হচ্ছে,তাদেকে সড়ক আইনে মামলা দেয়া হচ্ছে।

সিনিয়র সহকারী কমিশনার আশরাফুল ইসলাম জানান; আমাদের আজ ২টা ভ্রাম্যমাণ আদালতের গাড়ী বের হয়েছে।

এখন পযর্ন্ত কোন অভিযানের খবর পাওিয়পা যায়নি।জনগণের চলাচল নিয়ন্ত্রণে সরকারি নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নে পুলিশ রাজপথে কাজ শুরু করেছে।

প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। চেকপোস্ট এলেই তাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে এবং মুভমেন্ট পাস আছে কিনা চেক করা হচ্ছে। মুভমেন্ট পাস না থাকলে অনেকেকই আটকে দেয়া হচ্ছে।